সুনামগঞ্জ , রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫ , ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাছশূন্য হাওর, সংকটে জল-জীবিকা ব্রিটিশ-বাংলাবাজার সড়ক বেহাল : দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাউসবোটে নেই পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা পর্যটকদের উদ্বেগ বাংলাবাজার ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী সমাবেশ সুনামকণ্ঠ সাহিত্য পরিষদের আড্ডা অনুষ্ঠিত ঢাকায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষ অনলাইন জুয়ার ‘হটস্পট’ জাউয়াবাজার প্রতিপক্ষের সুলফির আঘাতে নিহত ১ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ তাহিরপুরে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ ৬ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি রিভলবার জব্দ ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলে কবে থেকে কার্যকর হবে? একটি মহল চেষ্টা করছে গণতান্ত্রিক শক্তি যেন ক্ষমতায় না আসে : মির্জা ফখরুল বর্জ্যে ভুগছে টাঙ্গুয়ার হাওর হাওরের ফসল রক্ষায় প্রায় চূড়ান্ত ২,২৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প সুনামগঞ্জ মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র বরাদ্দের অভাবে বন্ধ নির্মাণকাজ ইশতেহার তৈরি করছে বিএনপি, গোপনে চলছে প্রার্থী যাচাই

গ্রামপুলিশের ন্যায্য দাবি পূরণ হোক

  • আপলোড সময় : ১২-০৮-২০২৫ ০৮:১৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৮-২০২৫ ০৮:১৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
গ্রামপুলিশের ন্যায্য দাবি পূরণ হোক
“দিন-রাত মানুষের নিরাপত্তা দিই, কিন্তু নিজের সংসারটা নিরাপদ রাখতে পারি না” - এ কথা শুধু একজন গ্রাম পুলিশের নয়, এটি গোটা বাহিনীর নিঃশব্দ আর্তনাদ। তারা পাহারা দেয় আমাদের ঘর, রক্ষা করে আমাদের প্রাণ, কিন্তু তাদের নিজের ঘরে অভাবের হাহাকার। মাসের শেষ দিকে অনেকের ঘরে চুলা জ্বলে না, সন্তানের মুখে হাসি ফুটে না, স্কুলের খাতাপত্র কিনে দেওয়াও হয়ে যায় এক দুঃস্বপ্ন। আমরা শহরে নিরাপদে ঘুমাই, কারণ দূরের কোনো গ্রামে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে একদল মানুষ অন্ধকার রাতে টহল দেয়। কিন্তু সেই প্রহরীরা-দফাদার, মহল্লাদার - যখন মাস শেষে হাতে পান ৮ হাজার বা ৭ হাজার ৫০০ টাকা, তখন সেই টাকা দিয়ে সংসার চালানো একপ্রকার অসম্ভব। এটি কি তাদের প্রাপ্য সম্মান? বছরের পর বছর তারা জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে। ১৯তম ও ২০তম গ্রেডে উন্নীত করার কথা বলছে। কিন্তু এই দাবি যেন বালুর নিচে চাপা পড়ে থাকে, কেউ শোনে না। অথচ গ্রাম পুলিশদের ছাড়া গ্রামীণ আইন-শৃঙ্খলার চাকা এক মুহূর্তও সচল থাকতে পারবে না। তারা অপরাধ প্রতিরোধ করে, চুরি-ডাকাতি ঠেকায়, বিরোধ মেটায়, এমনকি দুর্যোগের সময় উদ্ধারকাজেও থাকে সামনের সারিতে। গ্রাম পুলিশের জীবন শুধু একটি চাকরি নয়, এটি এক ধরনের ত্যাগ। আমরা যদি চাই, দেশের প্রতিটি গ্রামের নিরাপত্তা বলয় শক্ত হোক, তাহলে সেই বলয় রক্ষাকারী মানুষগুলোকে আগে নিরাপদ করতে হবে। এখনই সময় এই প্রহরীদের চোখের জল মুছে দেওয়ার। জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তি ও প্রাপ্য মর্যাদা দিয়ে তাদের জীবনে আলো ফিরিয়ে আনাই হবে প্রকৃত উন্নয়ন, প্রকৃত কৃতজ্ঞতা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স