সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল জামালগঞ্জে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

গ্রামপুলিশের ন্যায্য দাবি পূরণ হোক

  • আপলোড সময় : ১২-০৮-২০২৫ ০৮:১৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৮-২০২৫ ০৮:১৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
গ্রামপুলিশের ন্যায্য দাবি পূরণ হোক
“দিন-রাত মানুষের নিরাপত্তা দিই, কিন্তু নিজের সংসারটা নিরাপদ রাখতে পারি না” - এ কথা শুধু একজন গ্রাম পুলিশের নয়, এটি গোটা বাহিনীর নিঃশব্দ আর্তনাদ। তারা পাহারা দেয় আমাদের ঘর, রক্ষা করে আমাদের প্রাণ, কিন্তু তাদের নিজের ঘরে অভাবের হাহাকার। মাসের শেষ দিকে অনেকের ঘরে চুলা জ্বলে না, সন্তানের মুখে হাসি ফুটে না, স্কুলের খাতাপত্র কিনে দেওয়াও হয়ে যায় এক দুঃস্বপ্ন। আমরা শহরে নিরাপদে ঘুমাই, কারণ দূরের কোনো গ্রামে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে একদল মানুষ অন্ধকার রাতে টহল দেয়। কিন্তু সেই প্রহরীরা-দফাদার, মহল্লাদার - যখন মাস শেষে হাতে পান ৮ হাজার বা ৭ হাজার ৫০০ টাকা, তখন সেই টাকা দিয়ে সংসার চালানো একপ্রকার অসম্ভব। এটি কি তাদের প্রাপ্য সম্মান? বছরের পর বছর তারা জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে। ১৯তম ও ২০তম গ্রেডে উন্নীত করার কথা বলছে। কিন্তু এই দাবি যেন বালুর নিচে চাপা পড়ে থাকে, কেউ শোনে না। অথচ গ্রাম পুলিশদের ছাড়া গ্রামীণ আইন-শৃঙ্খলার চাকা এক মুহূর্তও সচল থাকতে পারবে না। তারা অপরাধ প্রতিরোধ করে, চুরি-ডাকাতি ঠেকায়, বিরোধ মেটায়, এমনকি দুর্যোগের সময় উদ্ধারকাজেও থাকে সামনের সারিতে। গ্রাম পুলিশের জীবন শুধু একটি চাকরি নয়, এটি এক ধরনের ত্যাগ। আমরা যদি চাই, দেশের প্রতিটি গ্রামের নিরাপত্তা বলয় শক্ত হোক, তাহলে সেই বলয় রক্ষাকারী মানুষগুলোকে আগে নিরাপদ করতে হবে। এখনই সময় এই প্রহরীদের চোখের জল মুছে দেওয়ার। জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তি ও প্রাপ্য মর্যাদা দিয়ে তাদের জীবনে আলো ফিরিয়ে আনাই হবে প্রকৃত উন্নয়ন, প্রকৃত কৃতজ্ঞতা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স